বগালেক হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ লেক যা সমুদ্র পৃষ্ট থেকে প্রায় ১২০০ ফুট উপরে অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ১৫ একর এবং গভীরতা প্রায় ১৫০ ফুট।
বান্দরবান শহর থেকে চান্দের গাড়ীতে রুমা বাজার প্রায় ৪৫ কিমি যেতে ২ ঘন্টার মত সময় লাগে। রুমা বাজার থেকে গাড়ী চেঞ্জ করে বগালেকপাড়া যেতে হয় আর যেতে সময় লাগে প্রায় ২ ঘন্টা। রুমা বাজার থেকে বগালেক পাড়া যাওয়ার রাস্তাটি কাঁচা। প্রচুর ধূলাবালি খেতে হয়- এজন্য বড় আকৃতির রুমাল দিয়ে নাক মুখ পেঁচিয়ে নিলে ভাল হয়- আর রোদ চশমা বেশ কার্যকরী। রুমাবাজার থেকে ঝিরি পথে বগালেক পাড়ার দূরত্ব প্রায় ১৪ কিমি।
Friday, October 28, 2011
নাফাখুম…… বাংলাদেশের নায়েগ্রা!
নাফাখুম
মারমা ভাষায় ‘খুম’ মানে হচ্ছে জলপ্রপাত। রেমাক্রি থেকে তিন ঘন্টার হাঁটা পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় আশ্চর্য সুন্দর সেই জলপ্রপাতে, যার নাম….. ‘নাফাখুম’। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে হঠাৎ করেই নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুট….প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়… প্রায় যেন সাঙ্গু নদীর মতই। পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে সম্ভবতঃ নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।
রেমাক্রি বাজার থেকে দুইভাবে নাফাখুম-এ যাওয়া যায়। এক ঘন্টা উঁচু-নীচু পাহাড়ী পথ মাড়িয়ে(পাহাড় ডিঙিয়ে) তারপর রেমাক্রি খালের পাড় ধরে বাকিটা হেঁটে চলা। এই পথে গেলে নাফাখুমে পৌঁছাতে আপনার সময় লাগবে চার ঘন্টা। রেমাক্রি খাল ক্রস করতে হবে তিন বার, যার মধ্যে শেষবার আপনাকে সাঁতার পানি পেরুতে হবে। আপনি পাহাড় না ডিঙিয়ে গোটা পথই রেমাক্রি খালের পাশ দিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে নৌকা করে রেমাক্রি খালের মুখে (যেখানে রেমাক্রি খাল সাঙ্গুতে পড়েছে, রেমাক্রিখুম) যেতে হবে আপনাকে…তারপর খালের পাড় দিয়ে নাফাখুম বরাবর। এই পথে আপনাকে চার বার খালটি ক্রস করতে হবে…তবে সময় লাগবে তিন ঘন্টা। আমি আপনাকে দ্বিতীয় পথেই যেতে পরামর্শ দেব…এতে আপনার সময় ও এনার্জী দু’টোই ব্যয় হবে কম। আর শীতের দিনে গেলে খাল ক্রস করার ঝামেলাই নেই…. গোটাটাই আপনি ঝিরিপথ দিয়ে হেঁটে যেতে পারবেন। তবে শীতকালে নাফাখুম-এর এই পূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ হবেনা…. পানি প্রবাহ অনেক কমে যাবে তখন।
রেমাক্রিখুম-টাও খুব সুন্দর! রেমাক্রি বাজারের কাছেই এই ‘রেমাক্রি খুম’। রেমাক্রি খাল যেখানে এসে সাঙ্গু নদীতে পড়েছে…. সেটাই রেমাক্রি খুম
পাঁচ-ছয় ফুট উপর থেকে কয়েকটি ধাপে পানি পড়ছে এই জলপ্রপাতে। এ’টি অনেক চওড়া। এই জলপ্রপাতটিও আপনাকে মুগ্ধ করবে নিঃসন্দেহে। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যাবার পথেই চোখে পড়বে এই রেমাক্রিখুম।
মারমা ভাষায় ‘খুম’ মানে হচ্ছে জলপ্রপাত। রেমাক্রি থেকে তিন ঘন্টার হাঁটা পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় আশ্চর্য সুন্দর সেই জলপ্রপাতে, যার নাম….. ‘নাফাখুম’। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে হঠাৎ করেই নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুট….প্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম নয়… প্রায় যেন সাঙ্গু নদীর মতই। পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে সম্ভবতঃ নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।
রেমাক্রি বাজার থেকে দুইভাবে নাফাখুম-এ যাওয়া যায়। এক ঘন্টা উঁচু-নীচু পাহাড়ী পথ মাড়িয়ে(পাহাড় ডিঙিয়ে) তারপর রেমাক্রি খালের পাড় ধরে বাকিটা হেঁটে চলা। এই পথে গেলে নাফাখুমে পৌঁছাতে আপনার সময় লাগবে চার ঘন্টা। রেমাক্রি খাল ক্রস করতে হবে তিন বার, যার মধ্যে শেষবার আপনাকে সাঁতার পানি পেরুতে হবে। আপনি পাহাড় না ডিঙিয়ে গোটা পথই রেমাক্রি খালের পাশ দিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে নৌকা করে রেমাক্রি খালের মুখে (যেখানে রেমাক্রি খাল সাঙ্গুতে পড়েছে, রেমাক্রিখুম) যেতে হবে আপনাকে…তারপর খালের পাড় দিয়ে নাফাখুম বরাবর। এই পথে আপনাকে চার বার খালটি ক্রস করতে হবে…তবে সময় লাগবে তিন ঘন্টা। আমি আপনাকে দ্বিতীয় পথেই যেতে পরামর্শ দেব…এতে আপনার সময় ও এনার্জী দু’টোই ব্যয় হবে কম। আর শীতের দিনে গেলে খাল ক্রস করার ঝামেলাই নেই…. গোটাটাই আপনি ঝিরিপথ দিয়ে হেঁটে যেতে পারবেন। তবে শীতকালে নাফাখুম-এর এই পূর্ণ সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ হবেনা…. পানি প্রবাহ অনেক কমে যাবে তখন।
রেমাক্রিখুম-টাও খুব সুন্দর! রেমাক্রি বাজারের কাছেই এই ‘রেমাক্রি খুম’। রেমাক্রি খাল যেখানে এসে সাঙ্গু নদীতে পড়েছে…. সেটাই রেমাক্রি খুম
পাঁচ-ছয় ফুট উপর থেকে কয়েকটি ধাপে পানি পড়ছে এই জলপ্রপাতে। এ’টি অনেক চওড়া। এই জলপ্রপাতটিও আপনাকে মুগ্ধ করবে নিঃসন্দেহে। তিন্দু থেকে রেমাক্রি যাবার পথেই চোখে পড়বে এই রেমাক্রিখুম।
রাইক্ষাং পুকুরপাড়া , বান্দরবান
পুকুর পাড়া বম'দের একটা গ্রাম। বেসিক্যালি ওটা রাইখান ঝর্না। রাইখান লেক থেকে শুরু। রাইখান নদীর জন্মস্থান ঝর্ণাটা। অনেকেই পুকুর পাড়া ঝর্ণা বলে। সম্ভবত বাংলাদেশের সবচেয়ে চওড়া ঝর্ণা (সবচেয়ে বড় ঝর্না বাকলাই ফলস, রুমা)।
১। ২টা রাস্তা আছে। বগা লেক থেকে যাওয়া যায়। অথবা বগামুখ পাড়া থেকে উপরে উঠে পাহাড় টপকে যাওয়া যায়। বান্দারবান থেকে চান্দের গাড়ি তে যাবেন কাইক্ষ্যাং ঝিরি। এরপর নৌকায় রুমা বাজার। এরপর হন্টন। অমানুষিক পরিশ্রম হবে।
২। বগামুখ পাড়ার রাস্তাটা অল্প। আর বগালেক দিয়ে রাস্তাটা কমপরিশ্রমের হবে। কিন্তু দীর্ঘ।
৩। প্রথম রাত রুমা বাজার (হিলটন হোটেল) থাকতে পারেন রিজুক ঘুরতে পারেন। পরের ক্যাম্প বগামুখ পাড়া (ম্রো পাড়া), দ্বিতীয় রাত আরেকটা গ্রামে । ৩য় রাত পুকুড় পাড়া থাকা লাগবে। জায়গাটা মিজো বর্ডারের খুব কাছে। তাই কতটা নিরাপদ নিজে সিদ্ধান্ত নেবেন।
৪। টাইম- আপনার পার্ফমেন্সের উপরে।
৫। কাইখ্যাং ঝিরি পর্যন্ত গাড়ি। বাকীটা ট্রেক। তাই দলের পার্ফমেন্সএর উপর টাইম ডিপেন্ড করবে।
৬। রাইখান ঝর্না, রাইখান লেক, রাইখান নদীর উৎস।
৭। শুকনা মৌসুমে ট্রেক করে আরাম পাবেন। এটা ম্যালেরিয়ার সিজন।
৮। রুমা তে কোন বিডিআর ক্যাম্প নেই। থানছি, আলীকদম, নাইক্ষং ছড়ি এই উপজেলা গুলোতে আছে। রাইখান বেসিক্যালি মনে হয় খাগড়াছড়ি জেলার সীমানার ভেতরে। কিন্তু রাস্তা পুরোটাই রুমা উপজেলায়। এখানে আর্মি ক্যাম্প। কাইক্ষাং ঝিরির ওখানে গ্যারিসন বা সদরঘাট ক্যাম্প। পুকুড় পাড়া আর্মি ক্যাম্প। আর্মি ক্যাম্পে একটু বেশী ঝামেলা করে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড সাথে রাখবেন।
এই রকম ভ্রমণ করতে গেলে
কি কি নিতে হবে- Thinks to Carry
১) ব্যাগ- Bag
২) গামছা- Gamsa
৩) ছাতা- Umbrella/ রেইন কোর্ট- Raincoat
৪) তাবু
৫) অতিরিক্ত 2(দুই) সেট কাপড়- Extra 2 Set Clot( থ্রি-কোয়টার প্যান্ট+ ফুল হাতা টি-শার্ট+ পাতলা জ্যাকেট+ স্লিপিং ব্যাগ+ )
৬) পানির বোতল- Water Bottle
৭) মানকি ক্যাপ (Monky Cap)
৮) রাবার / প্লাষ্টিক স্যান্ডেল/কেডস/ মোটা মোজা (Shocks )
৯) গ্লাভস ( Gloves )
১০) পলিথিন (Polythin)
১১) সানক্যাপ (Cap)
১২) সানগ্লাস (Sunglasse )
১৩) সানস্কিন ( Sun)
১৪) টিস্যু (Tissue )
১৫) ব্যক্তিগত ঔষধ (Personal Medicine )
১৬) টর্চ লাইট (Torch )
১৭) ক্যামেরা+ব্যাটারী+ র্চাজার (Camera ++)
১৮) মাল্টিপ্লাগ (Multiplug )
১৯) শীতের কাপড়
২০) নিক্যাপ/ এনক্লেট
১। ২টা রাস্তা আছে। বগা লেক থেকে যাওয়া যায়। অথবা বগামুখ পাড়া থেকে উপরে উঠে পাহাড় টপকে যাওয়া যায়। বান্দারবান থেকে চান্দের গাড়ি তে যাবেন কাইক্ষ্যাং ঝিরি। এরপর নৌকায় রুমা বাজার। এরপর হন্টন। অমানুষিক পরিশ্রম হবে।
২। বগামুখ পাড়ার রাস্তাটা অল্প। আর বগালেক দিয়ে রাস্তাটা কমপরিশ্রমের হবে। কিন্তু দীর্ঘ।
৩। প্রথম রাত রুমা বাজার (হিলটন হোটেল) থাকতে পারেন রিজুক ঘুরতে পারেন। পরের ক্যাম্প বগামুখ পাড়া (ম্রো পাড়া), দ্বিতীয় রাত আরেকটা গ্রামে । ৩য় রাত পুকুড় পাড়া থাকা লাগবে। জায়গাটা মিজো বর্ডারের খুব কাছে। তাই কতটা নিরাপদ নিজে সিদ্ধান্ত নেবেন।
৪। টাইম- আপনার পার্ফমেন্সের উপরে।
৫। কাইখ্যাং ঝিরি পর্যন্ত গাড়ি। বাকীটা ট্রেক। তাই দলের পার্ফমেন্সএর উপর টাইম ডিপেন্ড করবে।
৬। রাইখান ঝর্না, রাইখান লেক, রাইখান নদীর উৎস।
৭। শুকনা মৌসুমে ট্রেক করে আরাম পাবেন। এটা ম্যালেরিয়ার সিজন।
৮। রুমা তে কোন বিডিআর ক্যাম্প নেই। থানছি, আলীকদম, নাইক্ষং ছড়ি এই উপজেলা গুলোতে আছে। রাইখান বেসিক্যালি মনে হয় খাগড়াছড়ি জেলার সীমানার ভেতরে। কিন্তু রাস্তা পুরোটাই রুমা উপজেলায়। এখানে আর্মি ক্যাম্প। কাইক্ষাং ঝিরির ওখানে গ্যারিসন বা সদরঘাট ক্যাম্প। পুকুড় পাড়া আর্মি ক্যাম্প। আর্মি ক্যাম্পে একটু বেশী ঝামেলা করে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড সাথে রাখবেন।
এই রকম ভ্রমণ করতে গেলে
কি কি নিতে হবে- Thinks to Carry
১) ব্যাগ- Bag
২) গামছা- Gamsa
৩) ছাতা- Umbrella/ রেইন কোর্ট- Raincoat
৪) তাবু
৫) অতিরিক্ত 2(দুই) সেট কাপড়- Extra 2 Set Clot( থ্রি-কোয়টার প্যান্ট+ ফুল হাতা টি-শার্ট+ পাতলা জ্যাকেট+ স্লিপিং ব্যাগ+ )
৬) পানির বোতল- Water Bottle
৭) মানকি ক্যাপ (Monky Cap)
৮) রাবার / প্লাষ্টিক স্যান্ডেল/কেডস/ মোটা মোজা (Shocks )
৯) গ্লাভস ( Gloves )
১০) পলিথিন (Polythin)
১১) সানক্যাপ (Cap)
১২) সানগ্লাস (Sunglasse )
১৩) সানস্কিন ( Sun)
১৪) টিস্যু (Tissue )
১৫) ব্যক্তিগত ঔষধ (Personal Medicine )
১৬) টর্চ লাইট (Torch )
১৭) ক্যামেরা+ব্যাটারী+ র্চাজার (Camera ++)
১৮) মাল্টিপ্লাগ (Multiplug )
১৯) শীতের কাপড়
২০) নিক্যাপ/ এনক্লেট
Subscribe to:
Posts (Atom)
